রাজ্য

প্রতীক্ষার অবসান , বাঙালির পাতে আসতে চলেছে রুপোলী শস্য ইলিশ

Bangla 24×7 Desk : কথায় আছে ‘ মাছে ভাতে বাঙালী ‘ । কিন্তু সেই মাছের নাম যদি ইলিশ হয় তাহলে তো আর কথাই নেই । সমুদ্রে মাছ ধরার ক্ষেত্রে ৮২ দিনের সরকারি নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ার পর ১৫ ই জুন থেকে মাছ ধরতে সমুদ্রে রওনা দেয় মৎস্যজীবী ট্রলারগুলি। প্রতিকূল আবহাওয়াতে মৎস্যজীবীরা বেশিদূর এগোতে পারেননি । খারাপ আবহাওয়ার জন্য মাত্র এক দিনের মৎস্য শিকারের পরই বৃহস্পতিবার দুপুরের পর থেকে বিভিন্ন ঘাটে ফিরে আসছে বিভিন্ন মৎস্যজীবী ট্রলার। বাঙালির সেই রসনা তৃপ্ত করতে বাজারে এসে গেল রুপোলী শস্য ইলিশ।

জানা গেছে , নগেন্দ্র বাজার মৎস্য আড়ত ঘুরে দেখেন ডায়মন্ড হারবারের মহকুমা শাসক সুকান্ত সাহা, জেলার সহ মৎস্য অধিকর্তা (সামুদ্রিক) জয়ন্ত প্রধান , এসডিপিও শান্তনু সেন সহ একাধিক আধিকারিক । করোনা পরিস্থিতিতে মুখে মাস্ক ও হাতে গ্লাভস পরার পাশাপাশি প্রত্যেক কর্মীকে আড়তে ঢোকার আগে থার্মাল স্ক্রিনিং বাধ্যতামূলক করা হয়েছে ।

বৃহস্পতিবার থেকেই সুন্দরবনের কাকদ্বীপ, নামখানা, ফ্রেজারগঞ্জ, রায়দিঘি ও ডায়মন্ড হারবারের সুলতানপুরে ঘাটে ফিরেছে মৎস্যজীবী ট্রলার। জেলা মৎস্য দপ্তর সূত্রে খবর ৪০ টনের মত মাছ মিলেছে। এর মধ্যে ২০ টন ইলিশও রয়েছে। আপাতত ট্রলার থেকে মাছ পৌঁছে যাচ্ছে আড়ত গুলিতে।

পরে সহ মৎস্য অধিকর্তা (সামুদ্রিক) জয়ন্ত প্রধান জানান , ” প্রতিকূল আবহাওয়ার জন্য মৎস্যজীবীরা ট্রলার নিয়ে বেশি এগোতে পারেন নি। তবে আগামী দিন পুনরায় সমুদ্রে গেলে অনেক বেশি ইলিশ উঠবে বলে আশাবাদী মৎস্য দপ্তর। ” এমনিতে গত বছর তেমন লাভ হয়নি । কিন্তু বারবার প্রতিকূল আবহাওয়ার জেরে ট্রলারগুলি ফিরে আসতে থাকলে ট্রলার মালিকরা ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হবেন বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে মৎস্যজীবী ইউনিয়ন গুলি।

এ বিষয়ে সুন্দরবন সামুদ্রিক মৎস্যজীবী শ্রমিক ইউনিয়নের সম্পাদক সতীনাথ পাত্র বলেন ” অনেক খরচ করে ট্রলারগুলি সমুদ্রে পাড়ি দিয়েছিল। কিন্তু আশানুরুপ মাছের জোগান না হওয়ায় সবাই খুব বিমর্ষ । এই ভাবে ট্রলারগুলি ফিরে এলে খরচ তুলতেই হিমশিম খেতে হবে ট্রলার মালিকদের।”

Follow Me:

Related Posts