অফবিট মহানগর

লকডাউন যত এগোচ্ছে বাড়ছে ততই স্বামী ও স্ত্রীর তিক্ততার সম্পর্ক.. দাবী বিশেষজ্ঞদের

সমর্পিতা বন্দ্যোপাধ্যায়, কলকাতাঃ লকডাউন এর সময়সীমা যতই এগোচ্ছে ততই নাকি দূরে সরে যাচ্ছে স্বামী ও স্ত্রীর সম্পর্ক..
এমনি চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে আসছে মার্কিন মুলুকের একদল গবেষকদের গবেষণাতে..
সে খানে বলা হয়েছে যে,আগে স্বামী ও স্ত্রীরা যে যার মতো অফিসে নিজেদের কাজেই বেশি সময় দিতো কিন্তু লকডাউন এর জন্য এখন তাদের পুরোপুরি গৃহবন্ধী তার ফলে অল্প কিছুতেই বেঁধে যাচ্ছে মনমালিন্য.
তার ওপর যারা বেসরকারি অফিসে কর্মরত তাদের মধ্যে অনেকেই ওয়ার্ক ফর হোম করতে হচ্ছে.অনেকে তো এমন বলেছে যে অফিসে বসে কাজ করার থেকে বেশি চাপের ওয়ার্ক ফর হোম.
অনেক স্ত্রী দের এমন দাবি যে স্বামীরা বাড়ি থাকার ফলে তাদের কাজের চাপ ও বেড়ে গেছে আগের তুলনায় অনেক,যেহেতু এখন লকডাউন এর জন্য বাড়ির পরিচারিকাদের ও ছুটি তাই সব কাজ নিজেকেই করতে হচ্ছে..
তার মধ্যেও অনেকের স্বামীরা তাদের স্ত্রীদের হাতে হাতে কিছু কাজ করলেও বেশির ভাগ স্বামীরা কাজ করছে না বা স্ত্রীর কোন কাজেই সাহায্য করছে না, ফলে কার্যত হিমশিম খেতে হচ্ছে বাড়ির স্ত্রীদের..
মার্কিন রিপোর্ট এ ও দাবী করেছে যে এই বর্ষে ডিভোর্স এর সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে..
সে সকল স্বামীদের নেশার অভ্যাস রয়েছে তারা তাদের নেশা মেটানোর পযাপ্ত পরিমানের সামগ্রী পাচ্ছে না যার ফলে সেই রাগ টা প্রকাশ পাচ্ছে তাদের স্ত্রীদের ওপরে..
আর এই জন্য বাড়ছে গাহর্স্থ্য হিংসা..জাতীয় মহিলা কমিশনের রিপোর্ট অনুসারে, এই লক ডাউন চলা কালিন যত রিপোর্ট জমা পড়েছে তা সারা বছরের জমা পরা রিপোর্টার প্রায় সমান.তারা এ ও জানান লকডাউন এর জন্য বেশির ভাগ মহিলারা ইমেল মারফত তাদের অভিযোগ জানাতে পারলেও কিছু সংখ্যক মহিলারা যারা অভিযোগ জানাতে পারছেনা এমন কি থানাতে ও যেতে পারছে না বলে তাদের দাবী..
যদি লকডাউন উঠে যাবার পরে তারা অভিযোগ করে তাহলে সংখ্যা টা আরো বৃদ্ধি পাবে বলে মহিলা কমিশনের অনুমান..
তবে এই যে ঝড় পৃথিবীর বুকে নেমে এসেছে সেটা কবে থেমে গিয়ে পৃথিবী আবার কবে হাসবে সেই দিকেই তাকিয়ে রয়েছে সকল মানুষ..
কিছু সম্পর্ক গুলো একবার ছিড়ে যাচ্ছে সেই গুলো ভবিষ্যতে আর হয়তো জোড়া লাগবার কোনো অবকাশ থাকবেনা..

Follow Me:

Related Posts