বিদেশ

করোনা ভ্যাকসিন নিয়ে আশার আলো দেখালেন অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা

Bangla 24×7 Desk : কবে আসবে কোভিডের প্রতিষেধক এটাই বিশ্ব চিন্তার বিষয়। তাবড় তাবড় দেশকে নাজেহাল করা এই মারণ ভাইরাসের প্রতিষেধক আবিষ্কারের প্রতিযোগিতায় দৌড়াচ্ছে বিশ্বের সমস্ত ছোটো বড়ো দেশ।

অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিনের কাজ কতটা অগ্রসর হল এতদিন সেই অপেক্ষাই চলছিল। এবার সেই রিপোর্টই সামনে আনল ‘দ্য ল্যানসেট’ মেডিক্যাল জার্নাল। অবশেষে আশার আলো দেখালো অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি। তাঁদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, একেবারেই সুরক্ষিত এই প্রতিষেধক। তাঁদের প্রয়োগ করা ৯০ শতাংশ মানুষের শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরীতে সক্ষম এই প্রতিষেধক।

জেন্নার ইউনিভার্সিটির গবেষকদের সাহায্যে ডিএনএ টেকনোলজি ব্যবহার করে ভেক্টর ভ্যাকসিন ChAdOx1 nCoV-19 ক্যানডিডেট ডিজাইন করেছেণ অক্সফোর্ডের ভাইরোলজিস্ট সারা গিলবার্টের টিম। ভ্যাকসিন গবেষণায় রয়েছেন অক্সফোর্ডের ভাইরোলজিস্ট সারা গিলবার্ট , অধ্যাপক অ্যান্ড্রু পোলার্ড , টেরেসা লাম্বে , ডক্টর স্যান্ডি ডগলাস ও অধ্যাপক অ্যাড্রিয়ান হিল।

ল্যানসেট জার্নাল জানিয়েছে , ১০৭৭ জন স্বেচ্ছাসেবককে ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছিল। প্রায় প্রত্যেকের শরীরেই টি-কোষ সক্রিয় হয়েছে। পর্যাপ্ত অ্যান্টিবডি তৈরির ফলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বেড়েছে। প্রথম পর্যায়ের ট্রায়ালের এই রিপোর্ট দেখে ইতিমধ্যে প্রায় দশ কোটি ভ্যাকসিনের বরাত দিয়েছে ব্রিটিশ সরকার ।

গবেষক অ্যান্ড্রু পোলার্ড জানিয়েছেন , এই টি-কোষ হল শরীরের রোগ প্রতিরোধের মূল বর্ম। বেশিরভাগ ভ্যাকসিনই অ্যান্টিবডি তৈরির প্রক্রিয়াকেও যেমন সক্রিয় করে তেমনই টি-কোষকে সক্রিয় করে রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলে। ভ্যাকসিনের কাজ হল ইঞ্জেকশন দেওয়ার ১৪ দিনের মাথায় টি-কোষ সক্রিয় হয়ে ইমিউন সিস্টেমকে শক্তিশালী করে তুলতে শুরু করে। বি-কোষ সক্রিয় হয়ে অ্যান্টিবডি তৈরি করে ২৮ দিনের মাথায়।

Follow Me:

Related Posts