দেশ

করোনার প্রভাব এবার পড়ল ওষুধ শিল্পে

Bangla 24×7 Desk : দেশ জুড়ে করোনা আতঙ্ক চলছে । প্রতিদিন বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা । সংক্রমণের আশঙ্কায় দেশ জুড়ে আগামী ৩ রা মে পর্যন্ত লক ডাউন ঘোষণা করেছে কেন্দ্র । যার ফলে অর্থনীতিতে ব্যাপক টান পড়েছে ।

করোনা ভাইরাসের প্রকোপ শুরু হওয়ার পরেই চিন্তায় পড়েছিল ওষুধ শিল্প। কারণ ওষুধ তৈরির মূল রাসায়নিক কাঁচামালের বেশিরভাগটাই আসে চিন থেকে। গত তিন মাস কাঁচামাল আমদানি প্রায় বন্ধ ছিল , যার ফলে টান পড়েছে ওষুধ শিল্পে । চিন লক ডাউন প্রত্যাহার করে নেওয়ার পরে সেটাই হয়েছে। কারখানা খোলার পরেই কাঁচামালের দাম অনেকটাই বাড়িয়ে দিয়েছে চিন। যার কারণে ওষুধের দামও বাড়ছে চড়চড় করে। লকডাউনের পরে চিনের কারখানাগুলো খোলার পরে দেখা যায় কাঁচামালের দাম অনেকটাই বাড়িয়ে দিয়েছে তারা ।

যেখানে প্রতি কেজি নিমেসুলইডের দাম ছিল ৪৫০ টাকা, সেই ওষুধের ১ কেজির দাম হয়েছে ১৩০০ টাকা। লক ডাউনের পর এক ধাক্কায় দাম বেড়েছে ১৮৯%। প্রতি কেজি অ্যাজিথ্রোমাইসিনের দাম বেড়েছে ৭৬৫০ টাকা থেকে ১০,৫০০ টাকা। তুলনায় জ্বরের ওষুধ প্যারাসিটামলের দাম বৃদ্ধি কিছুটা কম। ১ কেজির দাম ২৬২ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ৪৫০ টাকা ।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেছিলেন , করোনা মোকাবিলায় ওষুধ শিল্পকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে হবে। ওষুধের জোগান, মেডিক্যাল কিটস, যন্ত্রপাতির জোগান যাতে পর্যাপ্ত পরিমানে থাকে , সেটাও আমাদের দেখতে হবে। 

মূলত , অ্যান্টিবায়োটিক ও অ্যান্টি ইনফ্ল্যামেটরি জাতীয় ওষুধের দাম বেড়েছে । জ্বরের ওষুধ প্যারাসিটামল , ব্যথা কমাবার ওষুধ নিমেসুলাইডের দাম বেড়েছে প্রায় ৬০ শতাংশ থেকে ১৯০ শতাংশ। যা এক ধাক্কায় অনেকটাই বেড়েছে । জ্বরের ওষুধ প্যারাসিটামল , নিমেসুলাইড যে কোনও অস্ত্রোপচারের পরে ব্যথা কমানো , রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিসের চিকিৎসায় কাজে লাগে ।

Follow Me:

Related Posts